1. bmkhayrul21@gmail.com : দৈনিক উজানভাটি : দৈনিক উজানভাটি
  2. info@www.dainikujanvati.info : দৈনিক উজানভাটি :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অষ্টগ্রামে জামাল মেম্বারের নামে মিথ্যা মামলা ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত অষ্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় বিএনপির আনন্দ মিছিল অষ্টগ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমার গণসংযোগে জনতার ঢল ইটনায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, মোবাইল কোর্টে ৬ জনের কারাদণ্ড কুলিয়ারচর পৌর এলাকায় রাস্তার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার অষ্টগ্রাম উপজেলার খয়েরপুর আব্দুল্লাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খানকে সাময়িক বরখাস্ত অষ্টগ্রামের ইউএনও দিলশাদ জাহানের বদলী জনিত বিদায়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ঃ চোখের পানিতে আবেগঘন বিদায় নিসচার ৩২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি হিসেবে পুনরায় আবু সালেহ আকন-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল নির্বাচিত বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন

ব্রিটিশ আমলের জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই চলছে গোলক চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

সাব্বির আহমেদ মানিক, বাজিতপুর প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ৬১ নম্বর গোলক চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্রিটিশ আমল থেকে প্রায় ৮৭ বছর ধরে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে পাঠদান।

আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল শিক্ষার যুগেও শতাধিক শিক্ষার্থী আজও ঠাঁই নিয়েছে অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ শ্রেণিকক্ষে।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস১৯৩৮ সালে জমিদাতা সতীশ চন্দ্র সাহা তাঁর পিতা গোলক চন্দ্র সাহার নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে বাঁশের বেড়ায় পাঠদান শুরু হলেও অনেকদিন দরজা-জানালা পর্যন্ত ছিল না; খোলা আকাশের নিচেই ক্লাস হতো। অল্প কিছুদিন পর টিনশেড ভবন নির্মিত হয়। এরপর কেটে গেছে প্রায় নয় দশক, কিন্তু আজও বিদ্যালয়টির স্থায়ী কোনো ভবন হয়নি। অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সর্বনিম্ন সাত শতাংশ জমি থাকা প্রয়োজন হলেও বর্তমানে বিদ্যালয়ের জায়গা আছে মাত্র দুই শতাংশ। স্থানীয়রা মনে করেন, সরকার আশপাশের খাসজমি অধিগ্রহণ করে স্কুলের ঐতিহ্য রক্ষা করতে উদ্যোগ নেবে।

বর্তমান অবস্থা বিদ্যালয়ে রয়েছে মাত্র তিনটি ছোট শ্রেণিকক্ষ ও একটি অফিস কক্ষ। ছয়জন শিক্ষক ও একজন দপ্তরির তত্ত্বাবধানে ১৫৩ জন শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে পড়াশোনা করতে হয়।

নেই টয়লেট, নেই টিউবওয়েল, নেই খেলার মাঠ। বর্ষায় কক্ষে পানি ঢুকে যায়, আর গরমে অসহ্য ভোগান্তি হয়। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সমৃদ্ধি সাহা জানায়, “বৃষ্টির দিনে ভেতরে পানি ঢুকে যায়। গরমে অনেক কষ্ট হয়। সবাই গাদাগাদি করে বসতে হয়। অন্য স্কুলে বড় বিল্ডিং থাকলেও আমাদের স্কুলে পুরানো টিনের ঘর, খারাপ লাগে। অনেক ছাত্রছাত্রী অন্য স্কুলে চলে যায়।”

অভিভাবক রাজ্জাকুন্নেছা জেসমিন বলেন, শ্রেণিকক্ষ ছোট হওয়ায় আলো- বাতাস ঢোকে না। শিশুরা বারবার জ্বরে-সর্দিতে আক্রান্ত হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরানী সাহা জানান, দীর্ঘদিন জমি সংকটের কারণে নতুন ভবন নির্মাণ সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো টয়লেট নেই। আমরা সরকারের কাছে দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

প্রশাসনের আশ্বাস উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশপাশে খাস জমি আছে, আশা করছি ব্যবস্থা হবে।

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, অবকাঠামোগত সংকট সমাধানে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইতোমধ্যে বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে পত্র প্রেরণ ও যোগাযোগ করা হয়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করবো।

স্থানীয়দের দাবি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ওয়াশিমুল হক বলেন, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী ভবনের জন্য অপেক্ষা করছে। আশা করছি সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী সালমা আক্তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৮৩ সালে আমি এই বিদ্যালয়ে পড়েছি। তখনো দরজা-জানালা ছিল না, একত্রে ক্লাস হতো। আলমারি পর্যন্ত বাড়িতে রাখতে হতো। আজও স্কুলটির পাকা ভবন নেই-দেখতে খারাপ লাগে।

বিশেষজ্ঞদের মত শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদ্যালয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প (PEDP)-এর আওতায় এনে দ্রুত বহুতল ভবন নির্মাণ করা ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট